বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারন সম্পাদক চিত্রনায়ক ও প্রযোজক জায়েদ খানকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি, পরিচালক সমিতিসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৮ সংগঠন।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় প্রযোজক সমিতির কার্যালয়ে ১৮ সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রযোজক সমিতির সহকারী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জায়েদ খানকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

একই অভিযোগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও অভিনেতা মিশা সওদাগরকে সতর্ক করে বুধবার চিঠি পাঠানো হবে বলেও জানান ইকবাল।

বুধবার ‍দুপুর ১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম।

বৈঠকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ছাড়া বাকি সংগঠনগুলোর মধ্যে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার প্রযোজক সমিতির সদস্য জায়েদের বিরুদ্ধে ‘সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি।

সোমবার প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম জানান, চলচ্চিত্র নির্মাণে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও নির্মাণ ব্যয় কমিয়ে আনতে গত বছরের অক্টোবরে সব সংগঠনের সমন্বয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এটি বাস্তবায়ন হলে চলচ্চিত্র নির্মাণে ন্যূনতম ১৫ লাখ টাকা ব্যয় কমে আসবে।

“সেই সিদ্ধান্ত না মানতে শিল্পীদের ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েছেন জায়েদ খান। প্রযোজক সমিতির সদস্য হয়েও তার এমন কর্মকাণ্ড প্রযোজক সমিতির স্বার্থের পরিপন্থী।”

‘সংগঠনের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায়’ সমিতির সংঘবিধি মোতাবেক গত ৭ মার্চ কার্যনির্বাহী পরিষদের ৭ম সভায় তাকে কারণ দর্শানো নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানোর একদিন পরই জায়েদ খানকে ‘বয়কটের’ সিদ্ধান্তের কথা জানাল চলচ্চিত্র সংগঠনগুলো।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা জায়েদ খানের চলচ্চিত্র অভিষেক হয় ২০০৮ সালে মোহাম্মদ হান্নানের ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে।

রাজনীতি/কামরুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here