ফের পিছালো বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা

রাজনীতি ডেস্ক প্রকাশিত : ১০ জুন ২০২১

১৯ জুন থেকে গুচ্ছভিত্তিক ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে তা পেছাতে চলেছে। এখনো শেষ হয়নি প্রাথমিক আবেদনের কাজ। এছাড়া বাকি রয়েছে চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া। তাই আগামীকাল (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত উপাচার্যদের এক সভায় ১৯ জুন থেকে পরীক্ষা নেওয়ার আগের সিদ্ধান্তটি স্তগিত করা হতে পারে বলে বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) নিশ্চিত করেছেন গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‌করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ভর্তি পরীক্ষা পেছাতে হচ্ছে। প্রাথমিক আবেদনের কাজ এখনো শেষ হয়নি। চলমান বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার ১০ দিন পর প্রাথমিক আবেদনের সময় বাড়ানো হবে। এখন ১৬ জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তারমানে প্রাথমিক আবেদন করতে ২৬ জুন পর্যন্ত চলে যাবে। তারপর আবার চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া রয়েছে। এসব করতে সময় লাগবে। এ অবস্থায় আপাতত আমরা কালকের সভায় নির্ধারিত তারিখের পরীক্ষাগুলো স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিব।

তবে এই পরীক্ষা কবে হবে তার তারিখ এই মূহুর্তের ঘোষণা করা সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, করোনার প্রকোপ ও সরকারি বিধিনিষেধ যেহেতু কতদিন চলবে আমরা জানি না। তাই পরিক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখও ঘোষণা করা সম্ভব নয়।

এছাড়া গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা কমিটির সদস্য সচিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মুখে ফেলে আমরা কিছু করবো না। সভায় আলোচনা করে কি করা যায় সেটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, একেরপর এক সরকারি বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ায় ভর্তি পরিক্ষার সময় চলে আসলেও এখনো আবেদন প্রক্রিয়াই শেষ না হওয়ায় পরিক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান ভর্তিচ্ছু বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা।

এরমধ্যে রাজধানীর নটরডেম কলেজ থেকে সদ্য এইচএসসি পাশ করা রায়হান হোসেন চৌধুরী বলেন, ১৯ জুন আমাদের পরিক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার ডেট ছাড়িয়ে আবেদনের সময় চলে গেছে ২৬ জুন পর্যন্ত। এরপর রয়েছে চূড়ান্ত আবেদন। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে সেটা আমরা এখনো জানি না। পরীক্ষার ডেট না জানা থাকায় আমরা চরম অনিশ্চয়তার ভিতরে রয়েছি।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে মোট তিনটি পরীক্ষা হবে। এখন পর্যন্ত অনলাইনে নয় বরং সশরীরে ভর্তি পরীক্ষা হবে বলে সিদ্ধান্ত বজায় আছে।

রাজনীতি/এসকে

আপনার মতামত লিখুন :