শেষ বিতর্কেও ট্রাম্পকে হারালেন জো বাইডেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত বিতর্কেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারালেন জো বাইডেন। এ সময় বিভিন্ন ইস্যুতে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেনের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ হয়। পুরো সময় করোনাভাইরাস, জাতীয় নিরাপত্তা, বর্ণবাদ, বিদেশনীতি ও জলবায়ুসহ নানা বিষয়ে বিতর্ক চলে।

বিতর্ক শেষে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, বাইডেন জয়ী হয়েছেন। সিএনএনের জরিপে জো বাইডেন পেয়েছেন ৫৩ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোট। ফক্স নিউজের জরিপে বাইডেন ৫০ ও ট্রাম্প ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৭টা ৫ মিনিট) টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিলের বেলমন্ট ইউনিভার্সিটিতে মুখোমুখি হন দুই প্রার্থী। শুরুতেই মহামারী কোভিড-১৯-এর প্রসঙ্গ টেনে বিতর্কে জড়ান তারা।

বাইডেন বলেন, দেশের দুই লাখ মানুষের মৃত্যুর দায়িত্ব যিনি নিতে পারেন না, তার প্রেসিডেন্ট থাকার অধিকার নেই। ট্রাম্পের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রে এত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি মহামারী মোকাবেলায় নিজের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, দেশের অর্থনীতি ধসিয়ে সাধারণ মানুষকে পথে বসাতে চান না তিনি। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও লকডাউনের পক্ষে নন। কারণ, লকাডাউন কোনোভাবেই করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে পারে না। বর্তমানে করোনাকে নিয়েই মার্কিনিরা বাঁচতে শিখেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট।

করোনা সংকটকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ না করা এবং দেশে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যুর ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ট্রাম্প বলেন, চীন থেকে আসা এই মহামারী অনেক ব্যাপক আকারে ছড়িয়েছিল ইউরোপজুড়ে। এটা একটা বিশ্বব্যাপী সমস্যা। আমরা এর সঙ্গে লড়াই করেছি, একে দমন করেছি। এর প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়েছে, এ বছরের শেষের দিকেই তা বাজারে আসবে। এই মহামারী এখন চলে যাচ্ছে। ৯৯.৯ শতাংশ মানুষ আরোগ্য লাভ করছে। আমি আরোগ্য হয়েছি। ডা. ফাউসির নাম নিয়ে তিনি বলেন, তিনিও বলেননি এই রোগ এত বিপজ্জনক।

তার এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ২ লাখ ২০ হাজার প্রাণহানি ঘটেছে। এখনও বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। আসলে এই সংকট মোকাবেলায় এই প্রেসিডেন্টের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাই নেই। তিনি বলেন, আমাদের সামনে একটি ‘ডার্ক উইন্টার’ আসছে। এটা মোকাবেলায় তার কোনো স্পষ্ট কর্মসূচি নেই। তিনি শুধু কথায় কথায় ‘ডোন্ট ওয়ারি’ বলেই চালিয়ে যাচ্ছেন।

করোনার পরপরই দেশের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি বিতর্কমঞ্চে ওঠে। বাইডেন বলেন, দেশের রাজনীতি এবং যে দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে, তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

জবাবে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, রাশিয়া থেকে জো বাইডেন সুবিধা নিয়েছেন। তার দাবি, রাশিয়াসহ অন্য সব দেশের ওপর তিনি যথেষ্ট কঠোর।

একপর্যায়ে চীনে ট্রাম্পের ব্যবসা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাইডেন। ট্রাম্পের কর পরিশোধ না করার সমালোচনা করেন তিনি।

ডেমোক্রেটিক প্রার্থী বলেন, চীনে ট্রাম্পের গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি লাখ মার্কিন ডলার কর আগেই পরিশোধ করেছেন। আগের অবস্থানে অনড় থেকে ট্রাম্প বলেন, তিনি আইআরএস অডিট করার পর ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশ করবেন।

চীনে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকার কথা স্বীকার করে ট্রাম্প বলেন, তিনি ব্যবসার কাজে সেখানে হিসাব খুলেছিলেন। তবে তা ছিল ২০১৩ সালে। এরপর ২০১৫ সালে ওই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন তিনি।

বিতর্কের একপর্যায়ে ইউক্রেনে বাইডেনের ছেলের ব্যবসা নিয়ে অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প। বাইডেন বলেন, এ বিতর্ক ট্রাম্প বা তার পরিবারের নয়। এ বিতর্ক আমেরিকার জনগণের স্বার্থ নিয়ে।

ওবামা কেয়ারের প্রসঙ্গ এলে, এটি বাতিল করে আরেকটি ভালো স্বাস্থ্যসেবা আইন চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান ট্রাম্প। যদিও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা কেয়ারের পক্ষে সাফাই গেয়ে এটিকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানান জো বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলমান বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের জন্য ট্রাম্পকে একতরফাভাবে দায়ী করেন বাইডেন। একইসঙ্গে ট্রাম্পকে বর্ণবাদী বলে আখ্যা দেন এই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের দ্বিতীয় ও শেষ বিতর্কে ট্রাম্প ও বাইডেন নতুন কোনো বিষয় উত্থাপন করেননি। দেশের বিরাজিত পরিস্থিতি নিয়ে তাদের বক্তব্য আবারও দেশবাসীর সামনে জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর মধ্যে এই বিতর্ক ছিল বেশ উত্তপ্ত এবং পরস্পরের প্রতি আক্রমণাত্মক। এমনকি একপর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেনকে একজন দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিক বলে অভিহিত করেন।

বিতর্কে অভিবাসন প্রসঙ্গে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জো বাইডেন বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে ১০০ দিনের মধ্যে দেশের ১১ মিলিয়ন কাগজপত্রবিহীন অভিবাসী, যারা ‘ডাকা’ শিশু, তথাকথিত ড্রিমার, তাদের নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ দেয়ার পথ পরিষ্কার করার জন্য কংগ্রেসে প্রস্তাব পাঠাবেন।

পক্ষান্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সমালোচনা করে বলেন, ওবামার সঙ্গে তার ক্ষমতায় থাকার আট বছরে তারা এ ব্যাপারে কিছুই করেননি। বরং বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে আটকে রাখার জন্য ডিটেনশন সেন্টার নির্মাণ করেছিলেন।

তেল শোধনাগারের কাছাকাছি বসবাসকারী পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এই পরিবারগুলো সেখানে বিপুলভাবে চাকরিতে নিয়োজিত। তারা সেখান থেকে প্রচুর অর্থ রোজগার করছে। তিনি তেল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য করোনাভাইরাসের প্রথম মাসগুলোয়ও তার উদ্যমের কথাও উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে বাইডেন বলেন, এই সব তথাকথিত ফেন্স-লাইন কমিউনিটির স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট কিছুই বললেন না। তিনি এ সত্যটাও বললেন না যে, সেখানকার মানুষগুলো ব্যাপকভাবে অশ্বেতাঙ্গ বা কৃষ্ণাঙ্গ। ওই মানুষগুলো যেভাবে জীবনযাপন করে তাকে বলা হয় ফেন্স-লাইন। অবশ্য প্রেসিডেন্ট তা বোঝেন না। তারা কত টাকা রোজগার করছে বিষয় সেটা নয়, বিষয়টি হচ্ছে দূষণ থেকে তাদের রক্ষা করার কোনো বিধান আছে কি না।

পরিবেশ সংরক্ষণ প্রশ্নে ট্রাম্প ও বাইডেন সম্পূর্ণ ভিন্ন বক্তব্য দেন। বাইডেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মানবসমাজের জন্য একটি স্থায়ী হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু ট্রাম্প গ্লোবাল ক্লাইমেট চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনার সিদ্ধান্তের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান নিয়ে বলেন, আমি পরিবেশ ভালোবাসি, আমি চাই পরিচ্ছন্নতা, স্বচ্ছ-পরিষ্কার পানি, পরিচ্ছন্ন বাতাস। কিন্তু এখানে আমরা কী করতে পারি? চীনের দিকে তাকান, কত নোংরা। রাশিয়া, ভারতের দিকে তাকান, কত নোংরা।

ট্রাম্প বলেন, পরিবেশ সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে আমি যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে এনেছি। কারণ, এখানে আমাদের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছিল, কিন্তু আমাদের প্রতি সুবিচার করা হচ্ছিল না। এই চুক্তিতে থাকলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যেত।

বাইডেন গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়টি মোকাবেলা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কিছু করার জন্য যথেষ্ট সময় আর আমাদের হাতে নেই। আগামী আট-দশ বছরের মধ্যে আমরা পয়েন্ট অব নো রিটার্নে চলে যাব।

প্যারিস পরিবেশ চুক্তিতে পুনরায় যোগদানের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে বাইডেন বলেন, এ বিষয়ে তার যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে ক্লিন ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা এবং সেখানে প্রচুর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা থাকবে।

বর্ণবৈষম্য ও কৃষ্ণাঙ্গ বিদ্বেষ নিয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়। ব্ল্যাক লাইভ ম্যাটার্স আন্দোলন বিষয়ে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে ট্রাম্প উত্তেজিতভাবে বলেন, তিনিই এই কক্ষে (বিতর্কস্থল) সবচেয়ে কম বর্ণবাদী (রেসিস্ট) মানুষ।

ট্রাম্প বলেন, লিংকনের পরে তিনিই একমাত্র প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য সবচেয়ে বেশি কল্যাণমূলক কাজ করেছেন।

দুই প্রার্থীর কাছেই সঞ্চালকের প্রশ্ন ছিল, নির্বাচিত হলে অভিষেকে তারা মার্কিন জনগণের উদ্দেশে কি বলবেন, বিশেষ করে যারা তাদের ভোট দেননি?

জবাবে ট্রাম্প বলেন, অর্থনৈতিক সাফল্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ করবে, যা বাইডেন ক্ষমতায় এলে হবে না। আমরা সাফল্যের পথে রয়েছি। আমি ট্যাক্স কমাচ্ছি কিন্তু উনি (বাইডেন) সবার ট্যাক্স বাড়াতে চান। জো সবকিছুর ওপর নতুন বিধি আরোপ করতে চান। তিনি সবকিছু শেষ করে দেবেন। জো যদি ক্ষমতায় আসেন তবে আপনারা এমন একটা ডিপ্রেশনের মধ্যে পড়বেন যা কখনও দেখেননি। সে দিনটা হবে এ দেশের জন্য একটি দুর্দিন।

এই প্রশ্নের জবাবে বাইডেন বলেন, আমি বলব আমি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন কি দেননি তা আমি দেখব না। আমি দেখব যেন আপনাদের সবার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই। আমরা কল্পকাহিনীর ওপর বিজ্ঞানকে স্থান দিতে চাই, আমরা শঙ্কার ওপর আশাবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা সামনে এগিয়ে চলার পথকে গ্রহণ করব। কারণ, সবকিছুকে উন্নত করার জন্য আমাদের সামনে প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

বাইডেন বলেন, একটি ব্যালটের ওপর নির্ভর করে আছে আমাদের দেশের চরিত্র, সৌন্দর্য, মর্যাদা, আত্মসম্মানবোধ। আমি এটা নিশ্চিত করতে চাই, গত চার বছরে আপনারা যা পাননি তা পাবেন।

কমিশন অন প্রেসিডেন্ট ডিবেট-সিপিডির স্পন্সরে এক ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের (৯৬ মিনিট) এই বিতর্কের সঞ্চালক ছিলেন এনবিসি চ্যানেলের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা ক্রিস্টেন ওয়েলকার।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আগাম (আর্লি) ভোট শুরু হয়েছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঙ্গরাজ্য নিউইয়র্কে আজ শনিবার থেকে আগাম ভোট শুরু হচ্ছে। এ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক ভোটার ডাকযোগেও ভোট দিচ্ছেন। আগাম ভোট ও ডাকযোগে ভোট মিলিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষ ভোট দিয়ে ফেলেছেন।

নির্বাচনে ভোটের মানচিত্রে গোটা দশেক অঙ্গরাজ্য রয়েছে যেখানকার ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছেন কাকে ভোট দেবেন। এসব অঙ্গরাজ্যগুলোকেই ‘ঝুলন্ত’ (সুইং) অঙ্গরাজ্য বলা হয়ে থাকে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় ঝুলন্ত অঙ্গরাজ্য হচ্ছে ফ্লোরিডা, পেনসিলভেনিয়া, ওহাইও ও নর্থ ক্যারোলাইনা। নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন শেষ বিতর্কের পর ঝুলন্ত রাজ্যের ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থী বাছাইয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রথা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে তিনটি এবং তাদের রানিং মেট ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের মধ্যে একটি বিতর্ক হয়। এই বিতর্কের আয়োজন করে কমিশন অন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট-সিপিডি।

এবার ২৯ সেপ্টেম্বর ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বিতর্কের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শরীরে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চারদিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও ১৫ অক্টোবর দ্বিতীয় বিতর্ক অনুষ্ঠান বাতিল করে সিপিডি। তবে ৭ অক্টোবর উইটাহর সল্টলেক সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ভাইস প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক। প্রথম বিতর্কে বাইডেনের মতোই তার রানিং মেট কমলা হ্যারিস ওই বিতর্কে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক পেন্সকে হারান।

রাজনীতি/সাদেক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here