টেন্ডুলকারের কোনো অবৈধ বিনিয়োগ নেই-দাবি তার আইনজীবীর

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১, রাত ০৮:৪৮


দুনিয়া তোলপাড় করে দেওয়া প্যান্ডোরা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে উঠে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকারের নাম। তিনি অপ্রকাশিত সম্পত্তি গোপন নথির মাধ্যমে লুকিয়ে রাখতেন বলে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) একটি তদন্তে উঠে এসেছে। কিন্তু সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন শচীন টেন্ডুলকারের আইনজীবী।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তিতে নাম আছে শচীন জায়া অঞ্জলি টেন্ডুলকার ও শচীনের শ্বশুরমশাই আনন্দ মেহতার। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে পানামা পেপারের ঘটনা সামনে আসার পরে এই বিনিয়োগ করেন তিনি। শচীন টেন্ডুলকারের আইনজীবী জানান, তার আয়ের সমস্ত তথ্য আয়কর বিভাগকে জানানো আছে। শচীন টেন্ডুলকার ফাউন্ডেশনের সিইও ও ডিরেক্টর মৃণ্ময় মুখার্জি এই রিপোর্টের জবাবে জানান, 'বিনিয়োগের ব্যাপারে আয়কর বিভাগকে জানানো আছে এবং সবকিছুই নিয়মের মধ্যেই আছে'।

তদন্তকারীদের দাবি, ১১.৯ মিলিয়ন গোপন ফাইল তাদের কাছে আছে। শচীনের সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বিবৃতিতে বলা হয়, 'আমরা আবারও বলছি জনাব টেন্ডুলকারের সমস্ত বিনিয়োগ বৈধ ও প্রতিটা হয়েছে ভারতীয় ব্যাংকের মাধ্যমে। প্রতিটি বিনিয়োগই আয়কর বিভাগকে জানানো হয়েছে। আপনারা যে ৬০ কোটি রুপির হিসেব দিচ্ছেন সেটিও ভুল। সব টাকা শচীন টেন্ডুলকার লিকুইড হিসেবে পেয়েছিলেন, সেগুলিও আয়কর বিভাগকে জানানো আছে।'

অন্যদিকে একটি বিবৃতিতে আইসিআইজে জানায়, 'অধিকাংশ দেশে, হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তি বিশ্বের অন্যপ্রান্তের বিনিয়োগ করা অবৈধ নয়। অনেক দেশের ব্যবসায়ীরাই এই ধরনের ব্যবসা করতে চায়। কিন্তু এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারীই উচ্চ ট্যাক্স নেয় এমন দেশ থেকে কম কর সম্পন্ন দেশে বিনিয়োগ করেন। এগুলো বেশি করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা জনগণের সামনে থেকে তাদের সম্পত্তি সরানোর জন্য এই ধরনের বিনিয়োগ করে থাকে।'

এমএসি/আরএইচ

Link copied