দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা রোগীদের জন্য বিড়ম্বনা-আবু শাকের তানিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজনীতিঃ সাবেক ছাত্র নেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী তৃনমুল কর্মী পরিষদের সভাপতি কর্মী বন্ধু আবু শাকের তানিনকে বাংলাদেশের বর্তমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে মতামত জানতে চাইলে উনি বলেছেন আমি সাদাকে সাদা বলি কালোকে কালো বলি কারন আমি মমতাময়ী নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে সবার উর্ধে দেশের জনগন।
সকল ডাক্তার গনকে সকল স্হানে কাজ করতে হবে। ডাক্তার গনের বেতন স্কেল দ্বিগুন করতে হবে।


স্বাস্থ্যসেবা এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ যা নাগরিকগনে সর্ব ঊচ্চঅধিকার।
বিশ্বের অনেক দেশে সেরা স্বাস্থ্যব্যবস্থা আছে, কিন্তু সেরা হওয়ার পেছনে অনেক কারণ আছে। যেমন যে কেউ ইচ্ছে করলে যে কোন হাসপাতালে যেতে পারে না। আবার যে কেউ ইচ্ছে করলেই মেডিসিন কিনতে পারে না। রোগীকে তার স্থানীয় ড়াক্তার হাসপাতালে রেজিষ্টার হতে হয়। প্রয়োজন অনুসারে রোগীকে বিভিন্ন জায়গায় রেফার করা হয়।


বাংলাদেশে যে যেখানে খুশী সরকারী হাসপাতালে যেতে পারে। এই ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। এলাকা ভিত্তিক ইউনিয়ন /থানা স্বাস্থ্যসেবা চালু করতে হবে। রোগী সবার আগে নিজ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা নিবেন। সেখান থেকে যদি প্রয়োজন হয় আনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে স্পেশালাইজড ডাক্তার বা হাসপাতালে পাঠানো যেতে পারে । যাহাতে রোগী ইচ্ছেমতো যে কোন জায়গায় যেতে পারবেন না। স্থানীয় ডাক্তার রেফার করবে যে রোগীকে কার্ডিয়োলোজিষ্ট নাকি গ্যাষ্ট্রেলোজিষ্ট কাছে পাঠানো হবে।


আমাদের দেশে বেশীরভাগ স্পেশালাইজড হাসপাতালগুলো ঢাকা কেন্দ্রিক। এটার কারণে ভালো ডাক্তার মফস্বল এলাকাগুলো পাওয়া যায় না।
বিদেশে স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু শহর কেন্দ্রিক নয়। সব জায়গায় সব ধরনের ডাক্তার ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। বড় শহরের বাইরের হাসপাতালগুলোতে সব ধরণের সুবিধা রাখা জরুরী দরকার । ভালো চিকিৎসার জন্য যেনো ঢাকা কোলকাতা যাওয়া প্রয়োজন না হয়।বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে এভাবে গড়ে তুলতে হবে।
আমাদের স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতালের অনেক অভাব। বাজেটে এর জন্য বেশী বরাদ্দকৃত টাকা অনেকগুলো স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল বিভিন্ন জেলা শহরে গড়ে তুলা দরকার।বিদেশে যারা ট্রিটমেন্ট নিতে যান তারা বলেন যে সেখানে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। ডাক্তার ও নার্সদের সুন্দর ও ভদ্র আচরণে রোগী অর্ধেক ভালো হয়ে যায়।বাংলাদেশে রোগীদের সাথে ব্যবহার করা হয় না। রোগীদের প্রতি ডাক্তার, নার্স, ও হাসপাতাল স্টাফদের সুন্দর ও ভদ্র আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু টাকা বিল বারানো চিন্তা বাদ দিতে হবে। স্বস্হ্য সেবাইত , বিজনেচ মনে করলে হবে না ।
রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এক গাদা পরীক্ষা ও মেডিসিনের প্রেসক্রিপশন দেয়া হয়। এটা কমানো দরকার । ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধি ড়াক্তার বিজিট বন্ধ করতে হবে। ঔষদ কোম্পানি গুলো প্রতি মাসে সকল ড়াক্তার গনদের সেমিনার করে সকল ঔষধ বিষয়ে জানাবেন ,আর ঔষধ প্রসাশন যে সকল নুতন ঔষধ অনুমোদন করবেন তা সকল ড়াক্তাগনের কাছে নিয়মিত পাঠাবেন , আর বিদেষের মত ড়াক্তার গন গ্রুপ পেচকিব করবেন। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও মেডিসিন প্রেসক্রিপশন এর নিয়ম চালু করতে হবে। এখানে যাও, ওখানে যাও বন্ধ করতে হবে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ব্যাপক দুর্নীতি দেখা যায়। বর্তমান মহামারির কারণে এই দুর্নীতি আরো বেশী স্পষ্ট হয়েছে। দুর্নীতি বন্ধের করা জরুরী ।
যার বিরুদ্ধে অভিযোগ হবে ,জরুরি পদ থেকে সরাতে হবে, বেতন বন্ধ নিয়ম করতে হবে।

রাজনীতি/কাসেম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here