ডিমের দাম কমলেও চড়া মাছ-মাংস
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৫২
রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও গরুর মাংসের দামে তেমন স্বস্তি ফেরেনি। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় নেমেছে। তবে মাছের বাজারে দামের ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিকভাবে দাম রয়েছে চড়া। তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ২৩০ ও ২৬০ টাকা কেজি দরে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজারে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায়। গত সপ্তাহে একই পরিমাণ ডিমের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। অন্যদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে। এসব মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে।
মাছের বাজারে পাঙাশ ২৩০ টাকা ও তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই মিলছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকায়। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের দাম কেজিতে হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।
কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা হোসেন বলেন, মাছের দাম প্রতিদিনই কমবেশি হয়। সরবরাহ বেশি হলে দাম কমে, কম এলে দাম বেড়ে যায়। শুক্রবার বাজারে মাছের পাশাপাশি ক্রেতার উপস্থিতিও বেশি ছিল।
মাছের বাড়তি দামে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন অনেক ক্রেতার বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছে।
কারওয়ান বাজারে মাছ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন কিনতে দুবার ভাবতে হচ্ছে। এক কেজি পাঙাশের দামই ২৩০ টাকা। মুরগি ও গরুর মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কমতি নেই। ফলে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এমএসি/আরএইচ