মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ০১:৪৯


মোংলা বন্দর পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোব) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ থেকে নৌপথে মোংলা যান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।

এরপর বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

নলিয়ানে পৌঁছানোর আগে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। নলিয়ান থেকে সেখানে নির্ধারিত সভায় অংশ নেয়ার পাশাপাশি বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনালের মেগা প্রকল্প নিয়ে নতুন স্বপ্ন বুনছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ ও ড্রেজিংসহ থমকে থাকা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ হবে।

গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দর জেটি, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল ও প্রস্তাবিত নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শেখ সাহেদ আলী রবি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ জন্য চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধিতে ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি কাস্টমস হাউজ ও শুল্ক বিভাগের আধুনিকায়ন জরুরি।’ প্রধানমন্ত্রীর আগমন এসব উদ্যোগকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করেন তিনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরে এ অঞ্চলে বিনিয়োগে আরও গতি আসবে। পাশাপাশি উপকূলীয় জনপদে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কাজ হারানো বিপুলসংখ্যক মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সব মিলিয়ে এলাকার অর্থনীতি, অবকাঠামো ও মানুষের জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তন হবে।’

এমএসি/আরএইচ

Link copied