হিন্দুদের অধিকার ও সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস বিরোধীদলীয় নেতার
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:২৬
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য ও বঞ্চনার কথা শুনে সেগুলো সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, দেশের সব ধর্মের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিশ্চিত করা সরকার এবং বিরোধীদলীয় নেতার সাংবিধানিক দায়িত্ব।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার প্রতিনিধিরা তাদের সমস্যা, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অসুবিধার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য ও বঞ্চনার কথা জামায়াত আমির মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। এসব সমস্যা সমাধানে তিনি তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, জাতীয় হিন্দু মহাজোট, হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্টসহ আরও বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে নয়, বরং বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান তার সাংবিধানিক দায়িত্বের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা সরকারের যেমন দায়িত্ব, তেমনি বিরোধীদলীয় নেতারও সাংবিধানিক কর্তব্য রয়েছে। জামায়াত আমির তার এই দায়িত্বের কথা স্মরণ করেছেন এবং এ বিষয়ে তিনি যতটুকু ভূমিকা পালন করেন, সেটিও উপস্থিত নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মতবিনিময় সভায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতারা বিভিন্ন স্থানে তাদের সম্মুখীন হওয়া বৈষম্য, বঞ্চনা, অসুবিধা, দুঃখ-কষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণের কথা তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে তারা সহযোগিতা চেয়েছেন। জবাবে জামায়াত আমির আশ্বস্ত করেছেন, সরকার ও বিরোধীদল ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের পাশে থেকে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবে। এ বিষয়ে ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে আরও মতবিনিময় করা হবে, তাদের কথা শোনা হবে এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এমএসি/আরএইচ