শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:২৪


মিরপুরে সোমবারও (২ নভেম্বর) পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এদিন সকালে মিরপুর মডেল থানার সামনের সড়কে হঠাৎ জড়ো হয় পোশাকশ্রমিকরা। থানার কাছের পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে এগোনোর চেষ্টা করে তারা। এসময় আগুন দেয়া হয় পুলিশের একটি ভেস্টে।
 
পুলিশ তাদের বাধা দিলে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ।
 
টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ছত্রভঙ্গ হয়ে শ্রমিকরা আশপাশের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।
 
এদিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকা থেকেও একজনকে আটক করা হয়। পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিচ্ছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।
 
ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম বলেন,এই শ্রমিক আন্দোলনের নাম নিয়ে যাতে কোনো দুষ্কৃতিকারী জনগণের ভোগান্তির করাতে না পারে, কোথাও কোনো ভাঙচুর করতে না পারে এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। আমাদের পুলিশের ব্যাপক মোতায়েন রয়েছে। মিরপুর ডিভিশন থেকে ২৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।
 
এদিন সকাল থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মিরপুর-১০, ১১ ও আশপাশের এলাকাগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
 
গত দুই ধরে ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। রোববার নূন্যতম মজুরি ঠিক করতে ৬ সদস্যের একটি বোর্ড ঘোষণা করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়।

এমএসি/আরএইচ

Link copied